যুক্তরাজ্যের ইমিগ্রেশনমন্ত্রী রবার্ট জেনরিক অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানোর দায়ে ছয় মাসের জন্য ড্রাইভিং থেকে নিষিদ্ধ হয়েছেন। একই সঙ্গে তাকে মোট ১,৬৩৯ পাউন্ড জরিমানাও করেছে আদালত।
গত মঙ্গলবার নর্থ্যাম্পটন ম্যাজিস্ট্রেটস’ কোর্টে শুনানিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। আদালতে আগেই নিজের দোষ স্বীকার করেছিলেন জেনরিক।
আদালতের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের আগস্টে এম১ মোটরওয়ের দক্ষিণমুখী অংশে অস্থায়ীভাবে নির্ধারিত ৪০ মাইল গতিসীমার এলাকায় তিনি ঘণ্টায় ৬৮ মাইল গতিতে গাড়ি চালাচ্ছিলেন। অর্থাৎ নির্ধারিত সীমার চেয়ে প্রায় ৩০ মাইল বেশি গতিতে চলছিল তার গাড়ি।
ব্রিটিশ আদালতের ‘সিঙ্গেল জাস্টিস প্রসিডিউর’-এর আওতায় মামলাটির নিষ্পত্তি হয়। এই প্রক্রিয়ায় তুলনামূলক ছোটখাটো ফৌজদারি মামলার শুনানি সাধারণত ম্যাজিস্ট্রেট একাই করেন, যেখানে অভিযুক্ত ব্যক্তির সরাসরি উপস্থিতিও সব সময় প্রয়োজন হয় না।
রায়ের পর প্রতিক্রিয়ায় রবার্ট জেনরিক বলেন, আদালতের সিদ্ধান্ত তিনি মেনে নিচ্ছেন।
এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, “আমি জাতীয় গতিসীমার মধ্যেই গাড়ি চালাচ্ছিলাম বলে মনে করেছিলাম। তখন মোটরওয়েতে যানবাহন কম ছিল এবং আশপাশে সড়ক সংস্কারের কাজও চোখে পড়েনি। পরে বুঝতে পেরেছি, সেখানে পরিবর্তনশীল গতিসীমা কার্যকর ছিল, যা আমার নজরে আসেনি। আমি জেনে-বুঝে কখনও গতিসীমা অতিক্রম করতাম না।”
জানা গেছে, নটিংহ্যামশায়ারের নিউয়ার্ক এলাকার এমপি জেনরিক সেদিন বিবিসি রেডিও ৪-এর একটি অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে ফেরার পথে নিজের ল্যান্ড রোভারে ছিলেন। তখনই একটি স্পিড ক্যামেরায় তার গাড়ির গতি ধরা পড়ে।
এর আগেও সড়ক আইন লঙ্ঘনের ঘটনায় আলোচনায় এসেছিলেন জেনরিক। ২০২১ সালে পশ্চিম লন্ডনের এ৪০ সড়কে অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানোর দায়ে তাকে জরিমানা এবং পেনাল্টি পয়েন্ট দেওয়া হয়েছিল।
সাম্প্রতিক এই ঘটনায় আবারও ব্রিটিশ রাজনৈতিক অঙ্গনে জবাবদিহি এবং জনপর্যায়ে দায়িত্বশীল আচরণ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
