কানাডা সরকার একটি নতুন আইন (বিল সি–১২) পাসের চেষ্টা করছে, যা বিদেশিদের ভিসা গণহারে বাতিল করার ক্ষমতা দেবে। এর পেছনে মূল যুক্তি হিসেবে বলা হচ্ছে, ভারত ও বাংলাদেশ থেকে ভিসা আবেদনে জালিয়াতির ঘটনা বেড়েছে।
মূল ঘটনা:
- কানাডার অভিবাসন বিভাগ (IRCC), বর্ডার সার্ভিসেস এজেন্সি (CBSA) ও মার্কিন অংশীদারদের নিয়ে একটি ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন করা হয়েছে, যাদের লক্ষ্য হচ্ছে ভুয়া ভিসা আবেদন শনাক্ত করা।
- অভ্যন্তরীণ সরকারি নথিতে ভারত ও বাংলাদেশকে “চ্যালেঞ্জিং দেশ” হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
- অস্থায়ী রেসিডেন্স ভিসা (TRV) যাচাইয়ে নজরদারি বাড়ানোয় গত বছরের তুলনায় মার্কিন সীমান্তে অবৈধ প্রবেশ ৯৭% কমেছে বলে দাবি করেছে কর্তৃপক্ষ।
প্রতিক্রিয়া ও উদ্বেগ:
- ৩০টির বেশি মানবাধিকার ও সুশীল সমাজ সংগঠন বিলটির বিরোধিতা করছে।
- তারা মনে করছেন, এতে সরকার যেকোনো দেশের বিপক্ষে “গণবহিষ্কারের” ক্ষমতা পাবে।
- অভিবাসন আইনজীবীরাও শঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, এই ক্ষমতা ব্যবহার করে জটিলতা তৈরি করা যেতে পারে।
সরকারের দাবি:
- তারা বলছে, এই বিল মহামারি বা যুদ্ধ পরিস্থিতিতে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে সহায়তা করবে।
- IRCC জানিয়েছে, তারা নির্দিষ্ট কোনো দেশকে লক্ষ্য করেনি; বরং জরুরি পরিস্থিতির প্রেক্ষিতেই আইনটি করা হচ্ছে।
উপসংহার:
কানাডা ভিসা জালিয়াতি প্রতিরোধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে, তবে এতে বাংলাদেশি ও ভারতীয়দের ওপর বাড়তি নজরদারির বিষয়টি বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। আইন পাস হলে কানাডা সরকার বড় পরিসরে ভিসা বাতিল করতে পারবে, যা মানবাধিকার সংগঠনগুলো গভীর উদ্বেগের সঙ্গে দেখছে।