লন্ডন: যুক্তরাজ্যে নিজের রাষ্ট্রীয় সফরের প্রথম দিন শেষে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এটিকে তার “জীবনের অন্যতম সর্বোচ্চ সম্মান” বলে অভিহিত করেছেন। তার এই সফরে ছিল রাজকীয় কুচকাওয়াজ, রয়্যাল এয়ার ফোর্সের রেড অ্যারোস ফ্লাইপাস্ট এবং একটি নতুন ট্রান্সআটলান্টিক ককটেল।
যুক্তরাজ্যে দ্বিতীয়বারের মতো রাষ্ট্রীয় সফরের আমন্ত্রণ পাওয়া প্রথম মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে ট্রাম্প এটিকে একটি “অনন্য বিশেষাধিকার” বলে উল্লেখ করেছেন। এই সফরের ঐতিহাসিক গুরুত্ব তার কাছেও যেন স্পষ্ট ছিল।রাষ্ট্রীয় নৈশভোজে দেওয়া ভাষণে তিনি বলেন, এটি তার জীবনের “সর্বোচ্চ সম্মানগুলির” মধ্যে একটি। তিনি রসিকতা করে বলেন, তিনি আশা করেন যে ভবিষ্যতে আর কেউ দ্বিতীয়বার এমন আমন্ত্রণের সুযোগ পাবে না।
১৭০ জন আমন্ত্রিতের সামনে তিনি দুই দেশের সম্পর্কের প্রশংসা করেন এবং বলেন, “বিশেষ শব্দটি এই সম্পর্কের গভীরতা বোঝানোর জন্য যথেষ্ট নয়।”অন্যদিকে, রাজা তার বক্তব্যে আজকের এই অনুষ্ঠানটিকে যুক্তরাজ্য-মার্কিন সম্পর্ক নবায়নের প্রতীক হিসেবে বর্ণনা করেন। তিনি “আমাদের বন্ধুত্বের অটল বিশ্বাস” এবং “স্বাধীনতা ও মুক্তির প্রতি যৌথ অঙ্গীকারের” কথা উল্লেখ করেন।
দিনের শুরুতে, ট্রাম্প প্রয়াত রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। ক্যামেরার আড়ালে একটি ব্যক্তিগত মুহূর্তে তিনি রানীর সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।বর্তমানে প্রেসিডেন্ট এবং রাজা একটি ভোজসভার টেবিলে পাশাপাশি বসেছেন। এই টেবিলটি সাজাতে এক সপ্তাহ সময় লেগেছে। রাজপরিবারের সদস্য এবং মার্কিন প্রশাসনের কর্মকর্তারা তাদের পাশে রয়েছেন।
আজকের মতো লাইভ কভারেজ এখানেই শেষ হচ্ছে। তবে ট্রাম্পের সফর আগামীকালও অব্যাহত থাকবে, যখন তার মনোযোগ রাজনৈতিক বিষয়ে নিবদ্ধ হবে। তিনি প্রধানমন্ত্রী কেয়ার স্টারমারের সঙ্গে বৈঠক করবেন এবং বিরোধী দলের নেতা কেমি বাডেনক-এর সঙ্গেও তার দেখা করার কথা রয়েছে।