বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানই ভবিষ্যতে বাংলাদেশের জনগণের নেতৃত্ব দেবেন এবং পরবর্তী নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী হবেন—এমন আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ুন কবির এ তথ্য জানিয়েছেন।
বুধবার গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে তারেক রহমানের সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের এক ঘণ্টাব্যাপী বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে হুমায়ুন কবির এসব কথা বলেন।
বৈঠকে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ুন কবির, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহাদী আমিন এবং প্রেস সচিব সালেহ শিবলী উপস্থিত ছিলেন। এটি ছিল বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের প্রথম সাক্ষাৎ।
হুমায়ুন কবির বলেন, অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। আলোচনায় বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক, উন্নয়ন সহযোগিতা এবং ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট গুরুত্ব পায়। তিনি জানান, তারেক রহমান বৈঠকে চীনকে বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন সহযোগী দেশ হিসেবে উল্লেখ করেন এবং বিএনপির ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা ও দেশ গঠনের রূপরেখা তুলে ধরেন।
তিনি আরও বলেন, চীনের পক্ষ থেকেও জানানো হয়েছে যে তারা বাংলাদেশের পরবর্তী নির্বাচিত সরকারের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত। এক প্রশ্নের জবাবে হুমায়ুন কবির বলেন, চীন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের রাজনৈতিক ভূমিকা গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করছে এবং তাকে ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব হিসেবে দেখার প্রত্যাশা প্রকাশ করেছে।
এদিকে সাক্ষাৎকালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। হুমায়ুন কবির জানান, চীনের প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতি খালেদা জিয়ার ইন্তেকালের দিনই তাদের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক শোকবার্তা পাঠানো হয়।
বৈঠকটি বাংলাদেশ-চীন রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে বিএনপি নেতৃত্ব।