অনলাইন ডেস্ক: ইরানকে ঘিরে সম্ভাব্য পদক্ষেপ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বিভিন্ন সামরিক ও গোপন বিকল্প সম্পর্কে অবহিত করা হয়েছে। প্রতিরক্ষা দপ্তরের দুই কর্মকর্তা এই তথ্য জানিয়েছেন বলে দাবি করেছে বিবিসির মার্কিন সহযোগী সিবিএস নিউজ।সূত্রগুলো জানায়, সম্ভাব্য মার্কিন হস্তক্ষেপের ক্ষেত্রে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র হামলা একটি বিকল্প হিসেবে থাকলেও, এর পাশাপাশি সাইবার অপারেশন এবং মনস্তাত্ত্বিক প্রচারাভিযানের পরিকল্পনাও পেন্টাগনের পক্ষ থেকে উপস্থাপন করা হয়েছে।
এরই মধ্যে সোমবার ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে এমন দেশগুলোর পণ্যের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেন ট্রাম্প। একই সময়ে মানবাধিকার সংস্থাগুলো জানিয়েছে, ইরানে তিন সপ্তাহ ধরে চলা সরকারবিরোধী বিক্ষোভে অন্তত ৬০০ জন নিহত হয়েছেন।ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, তেহরান ওয়াশিংটনের সঙ্গে আলোচনায় বসতে আগ্রহী, তবে তারা “যুদ্ধের জন্যও প্রস্তুত”। অন্যদিকে ট্রাম্পের জাতীয় নিরাপত্তা দল মঙ্গলবার হোয়াইট হাউসে বৈঠকে বসতে পারে বলে জানিয়েছে সূত্রগুলো। তবে ওই বৈঠকে প্রেসিডেন্ট নিজে উপস্থিত থাকবেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
এর আগে ট্রাম্প সতর্ক করে বলেছিলেন, আরও বিক্ষোভকারী নিহত হলে যুক্তরাষ্ট্র “খুব শক্ত বিকল্প” বিবেচনা করবে। তিনি দাবি করেন, ইরানের নেতারা আলোচনার জন্য তার সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন, তবে একই সঙ্গে বলেন, বৈঠকের আগেই যুক্তরাষ্ট্রকে পদক্ষেপ নিতে হতে পারে।ইরানে মুদ্রার ব্যাপক দরপতন ও অর্থনৈতিক অব্যবস্থাপনা দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির বৈধতা নিয়ে সংকট তৈরি করেছে বলে বিশ্লেষকদের মত। এদিকে ইরানের রাষ্ট্র-সংশ্লিষ্ট সংবাদ সংস্থা ফার্স দাবি করেছে, সোমবার রাতে অনেক শহরে অস্থিরতা ছাড়াই পরিস্থিতি শান্ত ছিল।
তবে বিবিসি দেশটির বিভিন্ন স্থান থেকে বিক্ষোভের ভিডিও পেয়েছে বলে জানিয়েছে। চলমান ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউটের কারণে এসব ভিডিও কখন ধারণ করা হয়েছে, তা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
সূত্র বিবিসি