যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট Donald Trump-কে ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে সাম্প্রতিক একাধিক সহিংস ঘটনার পর। সর্বশেষ ঘটনায় ওয়াশিংটনে হোয়াইট হাউস করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের নৈশভোজ চলাকালে হিলটন হোটেলে গুলির শব্দে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
ঘটনার কয়েক ঘণ্টা পর কালো টাক্সেডো পরিহিত অবস্থায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ট্রাম্প বলেন, “এর চেয়ে বিপজ্জনক পেশা আর আছে বলে আমি কল্পনাও করতে পারি না।”
বিশ্বের সবচেয়ে সুরক্ষিত ব্যক্তিদের একজন হিসেবে বিবেচিত হলেও ট্রাম্পের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে। যুক্তরাষ্ট্রের সিক্রেট সার্ভিসের কড়া নিরাপত্তা বলয় থাকা সত্ত্বেও একের পর এক হামলার ঘটনা সেই ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে।
২০২৪ সালের গ্রীষ্মে পেনসিলভানিয়ার বাটলারে এক নির্বাচনী সমাবেশে ট্রাম্পকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়, যেখানে অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান তিনি; একটি গুলি তার কানে ছুঁয়ে যায়। এর মাত্র ৬৪ দিন পর ফ্লোরিডার একটি গলফ কোর্সে খেলার সময় আবারও এক বন্দুকধারীর লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হন তিনি।
সাম্প্রতিক এই ঘটনাগুলোর ধারাবাহিকতায় সর্বশেষ ওয়াশিংটনের গুলির ঘটনা ট্রাম্পের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ও সামগ্রিক সুরক্ষা ব্যবস্থার ওপর নতুন করে নজর কাড়ছে। সংশ্লিষ্ট মহলে এখন প্রশ্ন উঠছে, এত কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যেও কেন বারবার এ ধরনের ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বর্তমান রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং উচ্চমাত্রার জনসম্পৃক্ততার কারণে ট্রাম্পের নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ আরও জটিল হয়ে উঠেছে।
