প্রথম পছন্দের ভোট গণনার পর কনজারভেটিভদের পেছনে ফেলে দ্বিতীয় অবস্থানে উঠে আসতে পারে নাইজেল ফারাজের দল
লন্ডনের পরবর্তী মেয়র নির্বাচনকে ঘিরে নতুন এক জনমত জরিপে চমকপ্রদ আভাস পাওয়া গেছে। জরিপের ফল অনুযায়ী, নাইজেল ফারাজের নেতৃত্বাধীন রিফর্ম ইউকে দল প্রথম পছন্দের ভোটের হিসাবে কনজারভেটিভ পার্টিকে পেছনে ফেলে লন্ডনে লেবার পার্টির প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে উঠে আসতে পারে।
বর্তমান মেয়র সাদিক খানের বিপরীতে নির্বাচনী লড়াইয়ে রিফর্মের প্রার্থী অ্যান্ড্রু কানিংহ্যামের অবস্থান দলটির জন্য নতুন সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিচ্ছে। জরিপের ফল লন্ডনের রাজনৈতিক সমীকরণে পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেওয়ার পাশাপাশি কনজারভেটিভদের জন্যও বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।
প্রথম পছন্দের ভোটে রিফর্মের এগিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, এতদিন লন্ডনের মেয়র নির্বাচনে লেবারের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে কনজারভেটিভ পার্টিকেই দেখা হতো। নতুন এই প্রবণতা অব্যাহত থাকলে আগামী নির্বাচনে সেই সমীকরণ বদলে যেতে পারে।
লেবারের প্রার্থী হিসেবে সাদিক খান আবারও শক্তিশালী অবস্থানে থাকলেও রিফর্মের উত্থান তাঁর জন্যও নতুন রাজনৈতিক চাপ তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে অভিবাসন, আইনশৃঙ্খলা, জীবনযাত্রার ব্যয় এবং লন্ডনের প্রশাসন নিয়ে ভোটারদের অসন্তোষ রিফর্মের পক্ষে সমর্থন বাড়াতে ভূমিকা রাখতে পারে।
তবে জরিপের ফলকে নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। ভোটের আগে প্রচারণা, প্রার্থীদের জনপ্রিয়তা, ভোটার উপস্থিতি এবং কৌশলগত ভোটিংয়ের মতো বিষয়গুলো ফলাফলে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।
তারপরও এই জরিপ লন্ডনের মেয়র নির্বাচনকে ঘিরে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিচ্ছে: লেবারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে কনজারভেটিভদের পাশাপাশি রিফর্ম ইউকেও এখন উল্লেখযোগ্য শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করছে। ফলে খান বনাম কানিংহ্যামের সম্ভাব্য লড়াই আগামী নির্বাচনে লন্ডনের রাজনীতির অন্যতম আলোচিত প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়ে উঠতে পারে।
