নতুন বছরের শুরুতে নিউইয়র্ক সিটির মেয়র হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিষেক হয়েছে জোহরান মামদানির। বৃহস্পতিবার নিউইয়র্ক সিটির লোয়ার ম্যানহাটানে সিটি হলের সামনে অনুষ্ঠিত প্রকাশ্য অভিষেক অনুষ্ঠানে হাজার হাজার মানুষের উপস্থিতিতে দায়িত্ব গ্রহণ করেন তিনি।
কনকনে শীত উপেক্ষা করে নতুন নেতৃত্বকে স্বাগত জানাতে শহরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ জড়ো হয়। অভিষেক অনুষ্ঠানে জনসমাগম ছিল চোখে পড়ার মতো, যা মামদানির জনপ্রিয়তা ও পরিবর্তনের প্রত্যাশার প্রতিফলন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
শপথ গ্রহণের পর উপস্থিত জনতার উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে নিউইয়র্কবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে জোহরান মামদানি বলেন,
“এমন মুহূর্ত খুব কমই আসে, যখন পরিবর্তন ও পুনর্গঠনের প্রকৃত সুযোগ সৃষ্টি হয়। আর আরও বিরল হলো সেই সময়, যখন পরিবর্তনের চাবিগুলো জনগণের হাতেই থাকে।”
অভিষেকের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মেয়র হিসেবে কার্যক্রম শুরু করেন মামদানি। দায়িত্ব নেওয়ার প্রথম দিনেই তিনি একটি গুরুত্বপূর্ণ ও আলোচিত সিদ্ধান্ত নেন। সাবেক মেয়র এরিক অ্যাডামসের জারি করা ইসরায়েল–সমর্থনমূলক সব নির্বাহী আদেশ বাতিল করেন তিনি। এসব আদেশ ২০২৪ সালের ২৬ সেপ্টেম্বরের পর জারি করা হয়েছিল।
মেয়র মামদানির এই সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক অঙ্গনে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। সমর্থকরা এটিকে ন্যায়ভিত্তিক ও স্বাধীন পররাষ্ট্র-দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন হিসেবে দেখছেন, আর সমালোচকরা বিষয়টি নিয়ে ভিন্নমত প্রকাশ করছেন।
নতুন মেয়রের অভিষেক ও প্রথম দিনের সিদ্ধান্ত নিউইয়র্ক সিটির রাজনীতিতে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করল বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।