স্বাধীনতা দিবসে বাংলাদেশকে বিশ্বনেতাদের শুভেচ্ছা

২৬ মার্চ: মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশকে শুভেচ্ছা জানিয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ, যার মধ্যে রয়েছে চীন, যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, পাকিস্তান, ভারতইতালি। বৃহস্পতিবার পৃথক বার্তায় দেশগুলোর রাষ্ট্রপ্রধান ও কূটনীতিকরা বাংলাদেশের সরকার ও জনগণকে অভিনন্দন জানান।

শি জিনপিং বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো বার্তায় দুই দেশের সম্পর্ককে “ভালো প্রতিবেশী, বন্ধু ও অংশীদার” হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, পারস্পরিক সম্মান ও সহযোগিতার ভিত্তিতে চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক একটি উদাহরণ স্থাপন করেছে। একইসঙ্গে বেল্ট অ্যান্ড রোড উদ্যোগের আওতায় সহযোগিতা আরও জোরদারের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

অন্যদিকে মার্কো রুবিও যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশ একটি নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করছে। তিনি একটি মুক্ত, উন্মুক্ত ও নিরাপদ ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের লক্ষ্যে দুই দেশের অংশীদারিত্ব আরও শক্তিশালী করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বাংলাদেশে নিযুক্ত আলেকজান্ডার জি খোজিন স্বাধীনতা দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে বলেন, ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চের ঘোষণা বাঙালিদের ঐক্যবদ্ধ করেছিল এবং স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পথ প্রশস্ত করেছিল। তিনি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ভূমিকারও প্রশংসা করেন।

চার্লস তৃতীয় তার বার্তায় কমনওয়েলথের বন্ধন ও অভিন্ন মূল্যবোধের ভিত্তিতে দুই দেশের সম্পর্কের গুরুত্ব তুলে ধরেন। পাশাপাশি যুক্তরাজ্যে বসবাসরত বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের অবদানের কথাও উল্লেখ করেন।

পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বার্তায় বাংলাদেশের শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করে এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদারের আগ্রহ প্রকাশ করে।

দ্রৌপদী মুর্মু বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে অভিন্ন ইতিহাস, সংস্কৃতি ও ভাষাগত ঐতিহ্য দুই দেশের সম্পর্কের দৃঢ় ভিত্তি তৈরি করেছে।

এছাড়া সার্জিও মাতারেল্লা বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫৫তম বার্ষিকীতে অভিনন্দন জানিয়ে দুই দেশের মধ্যে চলমান সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বিশ্বনেতাদের এসব শুভেচ্ছা বার্তায় বাংলাদেশের স্বাধীনতা, অগ্রগতি ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের গুরুত্ব নতুন করে প্রতিফলিত হয়েছে।