যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে প্রেসিডেন্ট Donald Trump-এর বিরুদ্ধে ‘নো কিংস’ শিরোনামে ব্যাপক বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার দেশটির ৩ হাজার ১০০টিরও বেশি শহরে লাখ লাখ মানুষ এ কর্মসূচিতে অংশ নেয়। একইসঙ্গে ইউরোপের বিভিন্ন দেশেও ছড়িয়ে পড়ে এই প্রতিবাদ।
আয়োজকদের মতে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নীতির বিরোধিতা, জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয় এবং ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য যুদ্ধের প্রতিবাদে মানুষ রাস্তায় নেমেছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম CNN এ তথ্য জানিয়েছে।
আলাবামা থেকে ওয়াইমিং পর্যন্ত—রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাট অধ্যুষিত বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের বড় শহর, শহরতলি ও ছোট শহরগুলোতে একযোগে এই বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। Italy, France, Germany এবং Spain-এও মানুষ একই দাবিতে রাস্তায় নামে।
গত বছরও ‘নো কিংস’ শিরোনামে দুই দফা বিক্ষোভে বিপুল সংখ্যক মানুষ অংশ নিয়েছিল। এরপর থেকে ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন অভিযান এবং সাম্প্রতিক যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক চাপ বেড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
শনিবার Minneapolis, Boston, Washington, D.C., New York City, Los Angeles, Atlanta, Chicago এবং Seattle-সহ বিভিন্ন শহরে বড় সমাবেশ দেখা যায়। এর মধ্যে Philadelphia-এ বিশাল জনসমাগম হয়।
বিক্ষোভে অংশ নিয়ে নিউ ইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেল Letitia James বলেন, হাজার হাজার মানুষ গণতন্ত্র রক্ষার জন্য ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। তিনি বলেন, “আইনের শাসন, ক্ষমতার ভারসাম্য এবং জনগণের হাতে ক্ষমতা—এই মৌলিক নীতিগুলো আজ পরীক্ষার মুখে। আমরা লড়াই চালিয়ে যাব, কারণ আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়।”
তিনি আরও বলেন, সংবিধান রক্ষা করা তার দায়িত্ব এবং এ লক্ষ্য থেকে তিনি সরে দাঁড়াবেন না।
এদিকে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রযোজক ও টিভি উপস্থাপিকা Padma Lakshmi বলেন, “আজ আমরা ভয়কে প্রত্যাখ্যান করছি এবং সরকারের জবাবদিহিতা, স্বচ্ছতা ও সহানুভূতি দাবি করছি।”
যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি ইউরোপেও ‘নো কিংস’ আন্দোলন বিস্তার লাভ করেছে, যা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ট্রাম্পবিরোধী জনমত আরও জোরালো হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
