ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী Keir Starmer-এর বিরুদ্ধে পার্লামেন্টে বিভ্রান্তিকর তথ্য দেওয়ার অভিযোগে তদন্ত হওয়া উচিত কি না, সে বিষয়ে এমপিরা ভোট দিতে যাচ্ছেন।
কমন্সের স্পিকার Lindsay Hoyle জানিয়েছেন, এ নিয়ে মঙ্গলবার পার্লামেন্টে আলোচনা হবে এবং পরে এমপিরাই সিদ্ধান্ত নেবেন বিষয়টি প্রিভিলেজেস কমিটির কাছে পাঠানো হবে কি না।
প্রধানমন্ত্রী স্টারমারের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি Peter Mandelson-কে যুক্তরাষ্ট্রে যুক্তরাজ্যের রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগের আগে তার ভেটিং প্রক্রিয়া নিয়ে সংসদকে বিভ্রান্ত করেছেন। বিশেষ করে, তিনি দাবি করেছিলেন যে পুরো প্রক্রিয়া “যথাযথভাবে” সম্পন্ন হয়েছে এবং পররাষ্ট্র দপ্তরের কর্মকর্তাদের ওপর “কোনো চাপই” দেওয়া হয়নি। তবে স্টারমার এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
এই ইস্যুতে বিরোধী দল কনজারভেটিভদের পদক্ষেপকে “রাজনৈতিক স্টান্ট” বলে আখ্যা দিয়েছেন স্টারমার। তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, লেবার এমপিদের এই প্রস্তাবের বিরুদ্ধে ভোট দিতে নির্দেশ (হুইপ) দেওয়া হতে পারে।
সোমবার পার্লামেন্টারি লেবার পার্টির বৈঠকে স্টারমার বলেন, “এটি পুরোপুরি রাজনৈতিক বিষয় এবং আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।”
অন্যদিকে কনজারভেটিভ নেতা Kemi Badenoch দাবি করেছেন, স্টারমার একাধিকবার পার্লামেন্টকে বিভ্রান্ত করেছেন। তিনি লেবার এমপিদের “নিজেদের বিবেকের কথা শুনে” তদন্তের পক্ষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।
ডাউনিং স্ট্রিটের এক মুখপাত্র বলেছেন, কনজারভেটিভদের অভিযোগ “ভিত্তিহীন” এবং সরকার ইতিমধ্যে চলমান দুটি পার্লামেন্টারি প্রক্রিয়ায় “পূর্ণ স্বচ্ছতার সাথে” সহযোগিতা করছে।
এই প্রক্রিয়াগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘হাম্বল অ্যাড্রেস’ পদ্ধতির মাধ্যমে নথি প্রকাশ এবং ফরেন অ্যাফেয়ার্স কমিটির মাধ্যমে ভেটিং প্রক্রিয়ার ওপর শুনানি।
ঘটনাটি নিয়ে ব্রিটিশ রাজনীতিতে উত্তেজনা বাড়ছে এবং ভোটের ফলাফল স্টারমারের রাজনৈতিক অবস্থানের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
