সাগর-রুনি হত্যা: সাংস্কৃতিক অঙ্গনের এক ব্যক্তির যোগসূত্রের ক্লু, নজরদারিতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্তে সাংস্কৃতিক অঙ্গনের এক ব্যক্তির সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের যোগসূত্রের ক্লু পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। তবে ওই ব্যক্তির নাম-পরিচয় প্রকাশ করেননি তিনি।

রোববার নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা করছে না। মামলাটির তদন্ত করছে অন্য একটি সংস্থা।

আমিনুল ইসলাম বলেন, তদন্তের সময় অন্য কোনো ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত তথ্য বা ক্লু পাওয়া অস্বাভাবিক নয়। সাগর-রুনি হত্যা মামলার ক্ষেত্রেও তদন্তে এমন কিছু তথ্য পাওয়া গেছে। সাংস্কৃতিক অঙ্গনের ওই ব্যক্তির ওপর নজরদারি রাখা হয়েছে এবং পাওয়া তথ্যগুলো যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, আরও তদন্তের পর নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট তথ্য মামলার তদন্তকারী সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) দেওয়া হবে।

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের ভাড়া বাসায় খুন হন মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি। হত্যাকাণ্ডের এক যুগেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও এখনো মামলাটির তদন্ত শেষ হয়নি।

এদিকে সাগর-রুনি হত্যা মামলার বিচারিক এখতিয়ার নিয়েও কথা বলেন চিফ প্রসিকিউটর। তিনি বলেন, এটি একটি ‘ইনডিভিজুয়াল মার্ডার কেস’। ফলে মামলাটির বিচার সংশ্লিষ্ট দায়রা আদালতেই হবে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে এ মামলার বিচার হওয়ার সুযোগ নেই।

তদন্তে পাওয়া নতুন ক্লু কতটা গুরুত্বপূর্ণ এবং এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ভূমিকা কী, তা নির্ধারণে আরও যাচাই-বাছাই প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।