সিলেট-তামাবিল সড়কে পৃথক দুটি সড়ক দুর্ঘটনায় দুইজন নিহত হয়েছেন। এসব ঘটনায় অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর।
মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) সকালে জেলার সীমান্তবর্তী জৈন্তাপুর উপজেলার হেমু করিচর ব্রিজ এলাকায় প্রথম দুর্ঘটনাটি ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে পুলিশ জানায়, এশিয়া ট্রান্সপোর্ট পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস ঢাকা থেকে জাফলং যাওয়ার পথে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি পিকআপভ্যান নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মুখোমুখি ধাক্কা দেয়। এতে বাসটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়।
এ ঘটনায় বাসের হেলপার জিহাদ (২০) ঘটনাস্থলেই নিহত হন। তিনি নারায়ণগঞ্জ জেলার সদর উপজেলার হাজিগঞ্জ (পার্ট) গ্রামের নুরুল হক নূরার ছেলে। দুর্ঘটনায় বাসের আরও অন্তত ১০ জন যাত্রী আহত হন।
অন্যদিকে, দুপুর ১২টার দিকে সিলেট-তামাবিল সড়কের হরিপুর সাত নম্বর কূপের সামনে একটি হাইয়েস ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে সড়কের পাশে চা দোকানের সামনে কর্মরত আনসার সদস্য মোস্তফা মিয়া চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই নিহত হন। এ ঘটনায় আরও দুইজন গুরুতর আহত হন। আহতদের সিলেটের ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
তামাবিল হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবিবুর রহমান জানান, দুর্ঘটনার পর কিছু সময় সড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকলেও পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। বর্তমানে সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
জৈন্তাপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান মোল্লা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহনগুলো উদ্ধার করা হয়েছে এবং এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।