ইরানে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের বিকল্প বিবেচনায় ট্রাম্প

অনলাইন ডেস্ক: ইরানে চলমান সহিংস বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে দেশটিতে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের নানা বিকল্প বিবেচনা করছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন প্রশাসনের দুই কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, বিক্ষোভ দমনে বেসামরিক নাগরিকদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি ব্যবহার করা হলে ইরানি সরকারের ওপর হামলার হুমকি বাস্তবায়নের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে ভাবছেন ট্রাম্প।

সাম্প্রতিক দিনগুলোতে প্রেসিডেন্টকে ইরানে হস্তক্ষেপ সংক্রান্ত একাধিক পরিকল্পনা সম্পর্কে অবহিত করা হয়েছে বলে জানান ওই কর্মকর্তারা। দেশটিতে সহিংসতা বাড়তে থাকায় ইতোমধ্যে বহু মানুষ নিহত ও গ্রেপ্তার হয়েছেন।প্রেসিডেন্টের সামনে উপস্থাপিত কয়েকটি বিকল্প পরিকল্পনায় তেহরানের নিরাপত্তা বাহিনীকে লক্ষ্য করে হামলার বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, এই নিরাপত্তা বাহিনীগুলোকেই বিক্ষোভ দমনে ব্যবহার করা হচ্ছে।

তবে প্রশাসনের ভেতরে সামরিক হামলা নিয়ে উদ্বেগও রয়েছে। কর্মকর্তাদের আশঙ্কা, এমন পদক্ষেপ উল্টো ফল বয়ে আনতে পারে। এতে ইরানের জনগণ সরকারের পক্ষে একত্রিত হতে পারে অথবা ইরান নিজস্ব সামরিক প্রতিক্রিয়া দেখাতে পারে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলবে।

এদিকে, সামরিক হামলার বাইরে থেকেও ইরানের শাসকগোষ্ঠীকে লক্ষ্য করে কিছু বিকল্প ব্যবস্থা বিবেচনা করছেন ট্রাম্প। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে তিনি দেশটির বিক্ষোভকারীদের সহায়তা করার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করতে চান বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।এই বিকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে সাইবার অভিযান। ইরানের সামরিক অবকাঠামো বা সরকারের গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যবস্তুতে সাইবার হামলা চালানো হলে বিক্ষোভ দমনের প্রচেষ্টা ব্যাহত হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা।

সব মিলিয়ে, ইরান পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তা এখনো চূড়ান্ত নয়। তবে হোয়াইট হাউসে বিষয়টি নিয়ে যে উচ্চমাত্রার আলোচনা চলছে, তা স্পষ্ট।