ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে সাম্প্রতিক আলোচনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির কথা জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস-প্রেসিডেন্ট JD Vance। একই সঙ্গে ইরানের জাহাজ চলাচলে বাধা দেওয়ার মার্কিন সিদ্ধান্তের পক্ষেও তিনি জোরালো অবস্থান তুলে ধরেছেন।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম Fox News-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ভ্যান্স বলেন, আলোচনায় শুধু সমস্যাই নয়, ইতিবাচক অগ্রগতিও হয়েছে। তার ভাষায়, “আমরা অনেক অগ্রগতি করেছি, এবং কোন শর্তে যুক্তরাষ্ট্র ছাড় দিতে পারে বা নমনীয় হতে পারে, সেটিও স্পষ্ট করেছি।”
তিনি আরও জানান, এই আলোচনায় এমন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নির্ধারণ করা হয়েছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি “ভালো চুক্তি” নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।
ভ্যান্স এই বৈঠককে একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক হিসেবেও উল্লেখ করেন। তার মতে, Iran-এর বর্তমান নেতৃত্বের ইতিহাসে সম্ভবত এই প্রথমবার এত উচ্চ পর্যায়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান সরকারের মধ্যে আলোচনা হয়েছে, যা একটি ইতিবাচক দিক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
অঞ্চলটির সামরিক ও অর্থনৈতিক উত্তেজনা প্রসঙ্গে ভ্যান্স ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেন। তিনি অভিযোগ করেন, ইরান বৈশ্বিক বাণিজ্যপথে হুমকি সৃষ্টি করে “অর্থনৈতিক সন্ত্রাসবাদে” জড়িত, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলোর ক্ষেত্রে।
এই প্রেক্ষাপটে তিনি মার্কিন নৌ অবরোধকে “প্রয়োজনীয় পাল্টা ব্যবস্থা” হিসেবে উল্লেখ করেন। তার বক্তব্য, যদি ইরান আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বাধা সৃষ্টি করে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রও সমানভাবে কঠোর পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত।
তবে কঠোর অবস্থানের পাশাপাশি ভ্যান্স বলেন, যুক্তরাষ্ট্র “অতিরিক্ত অর্থনৈতিক চাপ” প্রয়োগ করলেও প্রেসিডেন্ট Donald Trump এখনও ইরানি জনগণের সমৃদ্ধি কামনা করেন।
চুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে সতর্ক মন্তব্য করে তিনি বলেন, অগ্রগতি হলেও চূড়ান্ত ফলাফল নির্ভর করবে ইরান এই প্রক্রিয়াকে কতদূর এগিয়ে নিতে চায় তার ওপর।
সূত্র: Al Jazeera
