মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump ঘোষিত যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর পরও Iran এখনো ওয়াশিংটনের সঙ্গে সরাসরি আলোচনায় বসতে রাজি হয়নি। স্থবির হয়ে পড়া এই আলোচনা পুনরায় শুরু করতে মধ্যস্থতার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে Pakistan।
পাকিস্তানের সাউথ এশিয়ান স্ট্র্যাটেজিক স্ট্যাবিলিটি ইনস্টিটিউট ইউনিভার্সিটির মহাপরিচালক ও দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মারিয়া সুলতান জানিয়েছেন, যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়াতে ইসলামাবাদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তিনি বলেন, উভয় পক্ষকে সতর্ক করে পাকিস্তান স্পষ্টভাবে জানিয়েছে—আলোচনার বিকল্প হচ্ছে যুদ্ধ।
Al Jazeera-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মারিয়া সুলতান বলেন, যুদ্ধবিরতির মেয়াদ না বাড়ানো হলে উপসাগরীয় অঞ্চলের সামরিক পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারত।
তিনি আরও সতর্ক করেন, এতে Strait of Hormuz অঞ্চলের পরিস্থিতি আরও অবনতির দিকে যেতে পারত, যেখানে ইতোমধ্যে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি বেড়েছে।
মারিয়া সুলতান জানান, ওয়াশিংটন ও তেহরান—উভয় পক্ষের সঙ্গেই নিবিড় যোগাযোগ বজায় রাখছে পাকিস্তান এবং ইসলামাবাদে সরাসরি আলোচনার আহ্বান জানিয়েছে।
তিনি বলেন, “যদি কোনো আলোচনা না হয়, তাহলে উভয় পক্ষের মধ্যে যুদ্ধই একমাত্র বিকল্প হয়ে দাঁড়াতে পারে।” তবে তিনি আশাবাদী যে আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই আলোচনার সূচনা হতে পারে।
তার মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান উভয়েই সম্ভাব্য সংঘাতের ভয়াবহ পরিণতি সম্পর্কে সচেতন—যা শুধু দুই দেশের জন্য নয়, বরং পুরো অঞ্চল এবং বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্যও মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে।
