ইরানে বিক্ষোভ, যুদ্ধ ও সাময়িক যুদ্ধবিরতির মতো বড় ঘটনাগুলোর পরও ইসলামিক রিপাবলিকের শাসনব্যবস্থা টিকে আছে এবং আরও শক্তভাবে সমাজের ভেতরে নিজেদের প্রভাব বিস্তার করেছে বলে দেশটির ভেতরে থাকা নাগরিকদের অভিজ্ঞতায় উঠে এসেছে।
রাজধানী তেহরানের রাস্তাঘাট, টেলিভিশন এবং জনসমাগমস্থলে এখনো নিহত নেতাদের ছবি ও বর্তমান শাসকদের মুখই সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে রাষ্ট্রের উপস্থিতি আগের চেয়ে আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
বিবিসির সঙ্গে কথা বলা কয়েকজন ইরানি নাগরিক জানান, সাম্প্রতিক আন্দোলন ও সংঘাতের পর সরকার দুর্বল হওয়ার বদলে আরও কঠোর ও প্রতিশোধপরায়ণ মনোভাব নিয়েছে।
সানা ও দিয়াকো নামের এক তরুণ দম্পতি, যারা প্রকৃত পরিচয় গোপন রাখতে ছদ্মনাম ব্যবহার করেছেন, তেহরানে বসবাস করেন। তারা শিক্ষিত মধ্যবিত্ত এবং কঠোর ধর্মীয় শাসনের অবসান চান। তবে নিরাপত্তার কারণে তাদের ব্যক্তিগত জীবনের অনেক তথ্য প্রকাশ করা হয়নি, কারণ এসব তথ্য ব্যবহার করে সরকার সমালোচকদের শনাক্ত করতে পারে।
দেশটির ভেতরে ভিন্নমত প্রকাশ এখনো ঝুঁকিপূর্ণ বলে জানিয়েছেন তারা। বিদেশি গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলাও অনেকের কাছে ভয়ের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
