স্মার্ট গ্লাসে গোপনে ভিডিও, পরে ব্ল্যাকমেইল: নারীদের হয়রানির অভিযোগ

লন্ডনের এক শপিং সেন্টারে হাঁটার সময় এক ব্যক্তি স্মার্ট গ্লাস পরে গোপনে ভিডিও ধারণ করেন বলে অভিযোগ করেছেন ‘অ্যালিস’ নামে পরিচয় গোপন রাখা এক নারী। পরে সেই ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ করে সেটি সরাতে অর্থ দাবি করা হয় বলে জানান তিনি।

অ্যালিস বলেন, প্রথমে তিনি বুঝতেই পারেননি যে তাকে রেকর্ড করা হচ্ছে। তার ভাষায়, “আমি ভেবেছিলাম লোকটি শুধু কথা বলতে চাইছে। কিন্তু সে আমাকে অনুসরণ করতে থাকে।”

পরে তার এক বন্ধু সামাজিক মাধ্যমে ভিডিওটি দেখে তাকে জানায়। ভিডিওটি ইতোমধ্যে প্রায় ৪০ হাজার বার দেখা হয়েছে বলে জানা গেছে।

ভিডিওটি সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করলে অভিযুক্ত ব্যক্তি জানান, এটি “পেইড সার্ভিস” বা অর্থের বিনিময়ে সরানো হবে। এতে নিজেকে “অপমানিত” ও “মানসিকভাবে বিপর্যস্ত” মনে হয়েছে বলে জানান অ্যালিস।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এমন অভিজ্ঞতার শিকার আরও অনেক নারী সামনে এসেছেন। তাদের অভিযোগ, স্মার্ট গ্লাস ব্যবহার করে গোপনে ভিডিও ধারণ করে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে, যা তাদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলছে।

অভিযুক্ত ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি সাক্ষাৎকার দিতে অস্বীকৃতি জানান। তবে এক ইমেইল বার্তায় দাবি করেন, তিনি “কাউকে ক্ষতি বা মানসিক কষ্ট দিতে চান না।”

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আধুনিক প্রযুক্তির অপব্যবহার ও অনলাইনে হয়রানির ঘটনা বাড়ায় ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষায় কঠোর আইন ও সচেতনতা জরুরি হয়ে উঠেছে।