লটারি জিতলে অনেকে বিষয়টি গোপন রাখেন, আশঙ্কা থাকে—বন্ধু কিংবা আত্মীয়রা হয়তো পরে ধার চাইবেন। তবে এক ব্রিটিশ দম্পতি তাঁদের আচরণ দিয়ে সবার নজর কেড়েছেন।
২০১০ সালে ব্রিটেনের শ্যারন ও নাইজেল ম্যাথার দম্পতি ইউরোপের অন্যতম জনপ্রিয় ইউরোমিলিয়নস লটারির জ্যাকপট জেতেন। তাঁদের হাতে আসে এক কোটি ২৪ লাখ আট হাজার পাউন্ড, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১২৭ কোটি টাকা।জেতার আগ পর্যন্ত বহুবার টিকিট কেটেও ভাগ্য খুলেনি। কিন্তু ২০১০ সালে ভাগ্যচক্র ঘুরে যায় তাঁদের। টাকা হাতে পাওয়ার আগ পর্যন্ত বিষয়টি পুরোপুরি গোপন রাখেন দুজনেই।
টাকা পাওয়ার পর নিজেদের জন্য সিংহভাগ রেখে শ্যারন-নাইজেল একটি ব্যতিক্রমী সিদ্ধান্ত নেন। তাঁরা পরিবারের সদস্য ও বন্ধুদের মধ্যে থেকে ৩০ জন ঘনিষ্ঠ মানুষের নাম বেছে নেন। পরে প্রত্যেককে লটারির একটি অংশ চেক মারফত দিয়ে দেন।শুধু প্রিয়জনই নয়, দম্পতি ম্যানচেস্টারের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থায়ও বড় অঙ্কের অর্থ দান করেন। শিশু ও বয়স্কদের যত্ন নেয় সংস্থাটি।
নিজেদের দুই সন্তানের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করার পাশাপাশি যত বেশি সম্ভব মানুষের জীবন বদলে দেওয়াই ছিল তাঁদের মূল উদ্দেশ্য।শ্যারন-নাইজেল তাই প্রমাণ করলেন—অর্থ শুধু নিজের জন্য নয়, ভাগ করে নিলেও আনন্দ বহুগুণ বেড়ে যায়।