উত্তাপ ছড়ানো দুই ম্যাচের সাক্ষী সিলেট, শেষ ওভারের নাটকীয় চট্টগ্রাম ও নোয়াখালির জয়

বিপিএলের মঞ্চে সিলেটে দর্শকরা দেখল রোমাঞ্চে ঠাসা একটি দিন। দিনের দুই ম্যাচের ফলই নির্ধারিত হয় শেষ ওভারে। প্রথম ম্যাচে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সকে হারিয়ে জয় পায় চট্টগ্রাম রয়্যালস। দ্বিতীয় ম্যাচে ইনফর্ম রংপুর রাইডার্সকে ৯ রানে হারিয়ে টানা ছয় হার কাটিয়ে এবারের আসরে প্রথম জয়ের মুখ দেখে নোয়াখালি এক্সপ্রেস।

দিনের প্রথম ম্যাচে আগে ব্যাট করতে নেমে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স ২০ ওভারে ৯ উইকেটে তোলে ১২৮ রান। মোহাম্মদ ওয়াসিম ও এসএম মেহেরব করেন ১৯ রান করে। বিপিএলে নিজের প্রথম ম্যাচ খেলতে নামা আকবর আলী ১৬ বলে যোগ করেন ১৭ রান। চট্টগ্রামের বোলারদের মধ্যে আমির জামাল ছিলেন সবচেয়ে সফল। তিনি ২৩ রানে নেন তিন উইকেট। শরিফুল ইসলাম ও তানভীর ইসলাম নেন দুটি করে উইকেট।

১২৯ রানের লক্ষ্য তাড়ায় শেষ ওভারে গিয়ে জয় নিশ্চিত করে চট্টগ্রাম রয়্যালস। দলের জয়ে বড় ভূমিকা রাখেন পাকিস্তানি ব্যাটার হাসান নাওয়াজ। তিনি ৩৬ বলে করেন ৩৫ রান। শেষ ওভারে প্রয়োজনীয় ১০ রান তার ব্যাট থেকেই আসে। অধিনায়ক শেখ মাহেদি করেন ২৮ এবং আসিফ আলী ২৭ রান। রাজশাহীর হয়ে বিনুরা ফার্নান্দো ১৮ রানে নেন তিন উইকেট।

দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে আগে ব্যাট করে নোয়াখালি এক্সপ্রেস এক বল বাকি থাকতে ১৪৮ রানে অলআউট হয়। মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরীর হ্যাটট্রিকে শেষদিকে ধস নামে নোয়াখালির ইনিংসে। জাকের আলী সর্বোচ্চ ৩৮ রান করেন। সৌম্য সরকারের ব্যাট থেকে আসে ৩১ রান। রংপুরের হয়ে মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী ও মোস্তাফিজুর রহমান নেন তিনটি করে উইকেট।

১৪৯ রানের লক্ষ্য তাড়ায় ইফতিখার আহমেদের ৩৭ ও খুশদিল শাহর ২৪ রানে লড়াইয়ে ছিল রংপুর। তবে শেষ ওভারে প্রয়োজনীয় ১৫ রান তুলতে ব্যর্থ হয় তারা। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১৩৯ রানেই থামে রংপুরের ইনিংস।

এই জয়ের মাধ্যমে বিপিএলের ইতিহাসে দ্বিতীয় দল হিসেবে প্রথম ছয় ম্যাচ হারার পর জয় পেল নোয়াখালি এক্সপ্রেস। এর আগে একই কীর্তি গড়েছিল ঢাকা ক্যাপিটালস।