যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ও লেবার পার্টির নেতা Keir Starmer আগামী সাধারণ নির্বাচনে দলকে নেতৃত্ব দিতে পারবেন না বলে মনে করছে লেবার পার্টিকে অর্থ সহায়তা দেওয়া ১১টি শ্রমিক ইউনিয়ন।
ইউনিয়নগুলোর মধ্যে রয়েছে ইউনাইট, ইউনিসন ও জিএমবি। তারা এক যৌথ বিবৃতিতে জানিয়েছে, “কোনো এক সময়ে নতুন নেতা নির্বাচনের পরিকল্পনা করতেই হবে।”
তবে তারা স্বীকার করেছে যে কর্মসংস্থান আইন সংস্কার এবং ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধির মতো কিছু ক্ষেত্রে অগ্রগতি হয়েছে। এরপরও তাদের অভিযোগ, লেবার পার্টি বর্তমান পথে চলতে পারে না।
মঙ্গলবার ইউনিয়নগুলোর সঙ্গে নির্ধারিত বৈঠক থেকে সরে দাঁড়ান স্টারমার। এরপরও ইউনিয়ন নেতারা বৈঠক করেন এবং স্পষ্টভাবে জানান, পরবর্তী নির্বাচনের আগেই স্টারমারের সরে যাওয়া উচিত।
লেবার-সংশ্লিষ্ট এই ১১টি ইউনিয়ন প্রায় ৪০ লাখ শ্রমিকের প্রতিনিধিত্ব করে। জানা গেছে, কয়েকটি ইউনিয়ন স্টারমারের পদত্যাগের সময়সূচি চাইলেও কমিউনিটি ও জিএমবি নেতৃত্ব পরিবর্তনের বিতর্কে সরাসরি জড়াতে সতর্ক অবস্থান নিয়েছে।
এদিকে স্টারমারের ভবিষ্যৎ নিয়ে তার মন্ত্রিসভা ও লেবার দলের ব্যাকবেঞ্চ এমপিদের মধ্যেও বিভক্তি তৈরি হয়েছে। ইউনিয়নগুলোর এই অবস্থান তার ওপর রাজনৈতিক চাপ আরও বাড়াবে বলে মনে করা হচ্ছে।
গত সপ্তাহে ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড ও ওয়েলসের স্থানীয় নির্বাচনে লেবারের ফলাফলকে ইউনিয়নগুলো “বিধ্বংসী” বলে বর্ণনা করেছে। তাদের ভাষ্য, “সাধারণ নির্বাচনে শ্রমজীবী মানুষ যে পরিবর্তনের প্রত্যাশায় ভোট দিয়েছিল, লেবার তা বাস্তবায়নে যথেষ্ট করছে না।”
