স্কটল্যান্ডের Edinburgh ও লোথিয়ানস এলাকার মানুষের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগকে জীবনের অন্যতম বড় সম্মান হিসেবে উল্লেখ করেছেন সাবেক এমএসপি ফয়সল চৌধুরী। বিদায়ী বার্তায় তিনি বলেন, স্কটিশ পার্লামেন্টে নির্বাচিত হয়ে তিনি ইতিহাস গড়েছিলেন, কারণ তিনিই ছিলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত প্রথম ব্যক্তি যিনি এমএসপি নির্বাচিত হন।
তিনি আরও জানান, যুক্তরাজ্যের ইতিহাসে তিনিই ছিলেন বাংলাদেশি ঐতিহ্যের প্রথম ও একমাত্র পুরুষ পার্লামেন্টারিয়ান। এই দায়িত্বকে তিনি কখনও হালকাভাবে নেননি এবং সবসময় চেষ্টা করেছেন পার্লামেন্ট ও রাজনীতিকে সাধারণ মানুষের, বিশেষ করে তরুণ ও বৈচিত্র্যময় জনগোষ্ঠীর জন্য আরও উন্মুক্ত করতে।
বিদায়ী বক্তব্যে তিনি বলেন, সাম্প্রতিক নির্বাচনে স্কটল্যান্ডজুড়ে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত তিনজন প্রার্থী অংশ নিয়েছিলেন, যা প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধির ইতিবাচক ইঙ্গিত। যদিও তারা নির্বাচিত হননি, তবুও ভবিষ্যতে আরও অনেক তরুণকে রাজনীতি ও জনসেবায় এগিয়ে আসতে এই অংশগ্রহণ অনুপ্রাণিত করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
২০২১ সালে শপথ গ্রহণের সময় তোলা একটি ছবির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, জনগণের সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করার সেই মুহূর্ত ছিল অত্যন্ত অর্থবহ। পার্লামেন্টে থাকার পুরো সময় তিনি সততা, নিষ্ঠা ও মানবিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করেছেন।
সাবেক এই এমএসপি বলেন, তিনি আর পার্লামেন্টে না থাকলেও কমিউনিটির প্রতি তাঁর অঙ্গীকার অপরিবর্তিত থাকবে। মানুষের অধিকার, বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগ ও কমিউনিটির কণ্ঠস্বর তুলে ধরতে তিনি আগামীতেও কাজ চালিয়ে যাবেন।
নবনির্বাচিত এমএসপিদের অভিনন্দন জানিয়ে তিনি তাদের সফলতা কামনা করেন। পাশাপাশি দীর্ঘ রাজনৈতিক যাত্রায় পাশে থাকা সমর্থক, বন্ধু ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, “জনসেবার মেয়াদ শেষ হতে পারে, কিন্তু কমিউনিটির সেবা আজীবনের।”
