হাবুশ গ্রাম, দক্ষিণ লেবানন — যুদ্ধের অস্বাভাবিক ও নৃশংস এক কৌশলের অভিযোগ উঠেছে ইসরাইলি বাহিনীর বিরুদ্ধে। স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা গেছে, দক্ষিণ লেবাননের হাবুশ গ্রামে গভীর রাতে ড্রোনের মাধ্যমে শিশুর কান্না ও নারীর আর্তনাদের রেকর্ডিং বাজিয়ে ঘুমন্ত বাসিন্দাদের ঘর থেকে বের করে আনার পর বিমান হামলা চালানো হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও প্যারামেডিক হাশেম জানান, রাত প্রায় ২টার দিকে হঠাৎ করে গ্রামের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এত জোরালো ও বাস্তবসম্মত কান্না ও চিৎকার ভেসে আসে যে মানুষজন ধরে নেন, কোনো বাড়িতে হামলা বা দুর্ঘটনা ঘটেছে। আতঙ্কিত হয়ে নারীরা সন্তানসহ ঘর থেকে বেরিয়ে পড়লে ঠিক সেই মুহূর্তে আকাশ থেকে বোমাবর্ষণ শুরু হয়।
“আমরা প্রথমে ভেবেছিলাম কোনো শিশু বা নারী বিপদে পড়েছে। কান্নার শব্দ এত কষ্টদায়ক ছিল যে দৌড়ে বাইরে আসতে বাধ্য হচ্ছিলাম। এরপরই বোমা পড়ে। আমাদের প্রতিবেশিরা মাটিতে লুটিয়ে পড়েন,” — বলেন স্থানীয় এক গৃহবধূ, যিনি নাম প্রকাশ না করার শর্তে সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, হামলায় একদিকে যেমন ঘরবাড়ি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে, তেমনি রাস্তায় ছুটে আসা নিরস্ত্র মানুষজনও টার্গেট হয়েছেন। প্রাথমিকভাবে অন্তত ১২ জন নিহত ও ৩০ জনের বেশি আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেলেও তাৎক্ষণিকভাবে সরকারিভাবে নিশ্চিত করা সম্ভম হয়নি।
ইসরাইলি সামরিক বাহিনী এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়নি। তবে স্বাধীন সংবাদমাধ্যম ও মানবাধিকার সংস্থাগুলো ঘটনার সত্যতা যাচাই করতে উদ্যোগী হয়েছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং যুদ্ধের এই অভিনব কৌশল যুদ্ধাপরাধ কিনা তা খতিয়ে দেখার আহ্বান জানিয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, হামলার পর পুরো এলাকা জুড়ে ধ্বংসযজ্ঞ ও শোকের মাতম চলছে। উদ্ধারকাজ অব্যাহত থাকলেও ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও অনেকে আটকা পড়ে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ড্রোনের সাহায্যে শিশুর কান্না, নারীর আর্তনাদ শুনিয়ে লেবানিজদের ঘর থেকে বের করে টার্গেট করছে ইসরাইল
হাবুশ গ্রাম, দক্ষিণ লেবানন — যুদ্ধের অস্বাভাবিক ও নৃশংস এক কৌশলের অভিযোগ উঠেছে ইসরাইলি বাহিনীর বিরুদ্ধে। স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা গেছে, দক্ষিণ লেবাননের হাবুশ গ্রামে গভীর রাতে ড্রোনের মাধ্যমে শিশুর কান্না ও নারীর আর্তনাদের রেকর্ডিং বাজিয়ে ঘুমন্ত বাসিন্দাদের ঘর থেকে বের করে আনার পর বিমান হামলা চালানো হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও প্যারামেডিক হাশেম জানান, রাত প্রায় ২টার দিকে হঠাৎ করে গ্রামের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এত জোরালো ও বাস্তবসম্মত কান্না ও চিৎকার ভেসে আসে যে মানুষজন ধরে নেন, কোনো বাড়িতে হামলা বা দুর্ঘটনা ঘটেছে। আতঙ্কিত হয়ে নারীরা সন্তানসহ ঘর থেকে বেরিয়ে পড়লে ঠিক সেই মুহূর্তে আকাশ থেকে বোমাবর্ষণ শুরু হয়।
“আমরা প্রথমে ভেবেছিলাম কোনো শিশু বা নারী বিপদে পড়েছে। কান্নার শব্দ এত কষ্টদায়ক ছিল যে দৌড়ে বাইরে আসতে বাধ্য হচ্ছিলাম। এরপরই বোমা পড়ে। আমাদের প্রতিবেশিরা মাটিতে লুটিয়ে পড়েন,” — বলেন স্থানীয় এক গৃহবধূ, যিনি নাম প্রকাশ না করার শর্তে সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, হামলায় একদিকে যেমন ঘরবাড়ি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে, তেমনি রাস্তায় ছুটে আসা নিরস্ত্র মানুষজনও টার্গেট হয়েছেন। প্রাথমিকভাবে অন্তত ১২ জন নিহত ও ৩০ জনের বেশি আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেলেও তাৎক্ষণিকভাবে সরকারিভাবে নিশ্চিত করা সম্ভম হয়নি।
ইসরাইলি সামরিক বাহিনী এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়নি। তবে স্বাধীন সংবাদমাধ্যম ও মানবাধিকার সংস্থাগুলো ঘটনার সত্যতা যাচাই করতে উদ্যোগী হয়েছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং যুদ্ধের এই অভিনব কৌশল যুদ্ধাপরাধ কিনা তা খতিয়ে দেখার আহ্বান জানিয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, হামলার পর পুরো এলাকা জুড়ে ধ্বংসযজ্ঞ ও শোকের মাতম চলছে। উদ্ধারকাজ অব্যাহত থাকলেও ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও অনেকে আটকা পড়ে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
