লন্ডন বাংলা টাইমস | অনলাইন:
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর ও বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলের সমাজসেবায় নিরহংকারী, প্রত্যয়দীপ্ত ও নিবেদিতপ্রাণ ব্যক্তিত্ব হিসেবে সুপরিচিত শেখ ফারুক আহমদ। দীর্ঘদিন ধরে তিনি নিঃস্বার্থভাবে কমিউনিটির কল্যাণে কাজ করে আসছেন। তাঁর এই নীরব কিন্তু কার্যকর অবদান তাঁকে স্থানীয় ও প্রবাসী সমাজে একটি বিশেষ মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করেছে।
বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এই কমিউনিটি লিডার বর্তমানে যুক্তরাজ্যের রাজনীতিতেও সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন। মানুষের পাশে থাকা, সমস্যা সমাধানে এগিয়ে আসা এবং জনসম্পৃক্ত কার্যক্রমে তাঁর ধারাবাহিক অংশগ্রহণ তাঁকে দ্রুতই সবার আস্থাভাজন করে তুলেছে। তাঁর সততা, দক্ষতা ও নেতৃত্বগুণের স্বীকৃতি হিসেবে লন্ডনের বার্কিং ও ডেগেনহাম কাউন্সিল নির্বাচনে গ্রিন পার্টি থেকে তিনি সম্মানজনক মনোনয়ন লাভ করেছেন। এই অর্জনে সিলেটবাসীর মধ্যে ব্যাপক আনন্দ ও গর্বের অনুভূতি সৃষ্টি হয়েছে।
বিভিন্ন সামাজিক, শিক্ষা ও ধর্মীয় সংগঠনের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততার কারণে শেখ ফারুক আহমদের ব্যক্তিগত ও পারিবারিক ঐতিহ্য সম্পর্কে সিলেটের সচেতন মহল ভালোভাবেই অবগত। সমাজকল্যাণমূলক নানা উদ্যোগ, দানশীলতা এবং মানবিক কর্মকাণ্ডে তাঁর ভূমিকা তাঁকে একজন গ্রহণযোগ্য ও সম্মানিত প্রার্থী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। কমিউনিটির উন্নয়ন, তরুণ প্রজন্মের অগ্রগতি এবং সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখতে তাঁর অবদান বিশেষভাবে প্রশংসিত।
জানা যায়, তিনি প্রবাসে থেকেও দেশের মানুষের প্রতি গভীর দায়বদ্ধতা বজায় রেখেছেন এবং বিভিন্ন সময় আর্থিক ও সামাজিক সহায়তার মাধ্যমে অসংখ্য মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তাঁর এই মানবিক গুণাবলি তাঁকে সাধারণ মানুষের কাছে আরও জনপ্রিয় করে তুলেছে।
আগামী ৭ই মে অনুষ্ঠিতব্য বার্কিং ও ডেগেনহাম কাউন্সিল নির্বাচনে সংশ্লিষ্ট এলাকার বাংলাদেশি কমিউনিটির পাশাপাশি অন্যান্য কমিউনিটির প্রতিও তাঁকে সমর্থন দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। ধর্ম, বর্ণ, জাতিগত পরিচয় নির্বিশেষে একজন শিক্ষিত, মার্জিত, নীতিবান ও জনবান্ধব ব্যক্তিকে জনপ্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত করার গুরুত্বও তুলে ধরা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, শেখ ফারুক আহমদের মতো অভিজ্ঞ, সৎ ও মানবিক গুণসম্পন্ন একজন ব্যক্তি নির্বাচিত হলে এলাকার সার্বিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে। একই সঙ্গে বিভিন্ন কমিউনিটির মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, সহযোগিতা ও সহাবস্থান আরও শক্তিশালী হবে।
সিলেটের সচেতন নাগরিক সমাজ তাঁর এই সাফল্যে সন্তোষ প্রকাশ করে আশা করছে, ভবিষ্যতে তিনি আরও বৃহৎ পরিসরে মানুষের সেবা করার সুযোগ পাবেন। তাদের মতে, জনগণের সচেতন ও সঠিক সিদ্ধান্তই পারে যোগ্য নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে এবং একটি সমৃদ্ধ ও উন্নত সমাজ গড়ে তুলতে।
সবশেষে, সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা—আসন্ন নির্বাচনে জনগণ যোগ্য প্রার্থীকে বেছে নেবে এবং শেখ ফারুক আহমদের মতো জনবান্ধব নেতৃত্বের মাধ্যমে কমিউনিটির উন্নয়ন নতুন দিগন্তে পৌঁছাবে।
