রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিল্ব ষষ্ঠীর মধ্যে দিয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শুরু হবে।
ইতোমধ্যে পূজা মণ্ডপগুলোতে প্রতিমা পৌঁছেছে। শেষ মুহূর্তের আলোকসজ্জাসহ নানা আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে। প্রতিটি পূজা মণ্ডপে ইতিমধ্যে আনসার সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছে।
সেনাবাহিনী ও পুলিশের পক্ষ থেকে নিরাপত্তার বিষয়ে খোঁজ খবর নেওয়া হচ্ছে। পূজা কমিটির দায়িত্বশীলরা জানিয়েছেন, মণ্ডপগুলোতে এখন শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি চলছে। বিল্বষষ্ঠীর মধ্যে দিয়ে পূজা শুরু হবে। সোমবার মহাসপ্তমী, মঙ্গলবার মহাঅষ্টমী, বুধবার মহানবমী, বৃহস্পতিবার বিজয়া দশমীর মাধ্যমে পূজা শেষ হবে।
জগন্নাথপুর উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক বিজন কুমার দেব জানান, উপজেলার ৩৭টি পূজা মণ্ডপের মধ্যে ৩১ টি মণ্ডপে সার্বজনীন ও ৬ টি মণ্ডপে পারিবারিকভাবে শারদীয় দুর্গোৎসব অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সনাতন ধর্মাবলম্বীরা উৎসবমুখর পরিবেশে পূজা অর্চনা ও শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপনে প্রস্তুত। তিনি বলেন, প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিরাপত্তার জন্য খোঁজ খবর নেয়া হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, গত বছর ৪২টি মণ্ডপে শারদীয় দুর্গা উৎসব উদযাপন হয়।জগন্নাথপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মাহফুজ ইমতিয়াজ ভূঁইয়া জানান, প্রতিটি পূজা মণ্ডপে একজন করে পোশাক পরিহিত পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করবে। প্রতিটি ইউনিয়নে পুলিশের ভিট কর্মকর্তারা তদারকির দায়িত্বে থাকবে। তিনি বলেন, পূজায় শান্তি শৃঙ্খলা নিরাপত্তা নিশ্চিতে আমাদের প্রস্তুতি রয়েছে।