আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে মনোনয়ন পাওয়া–না–পাওয়া বিবেচনায় না এনে দলের পক্ষে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সোমবার রাজধানীর খামারবাড়ি কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে ‘বাংলাদেশ গড়ার পরিকল্পনা’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এ আহ্বান জানান।
তারেক রহমান বলেন, ঘোষিত প্রার্থী দলের কর্মী বা ব্যক্তিগত পছন্দের সঙ্গে না মিললেও ধানের শীষের বিজয়ের জন্য কাজ করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, “এখানে প্রার্থী মুখ্য নয়; মুখ্য হচ্ছে দল বিএনপি, প্রতীক ধানের শীষ এবং দেশ। মানুষ ধানের শীষকে রায় দিলে দেশ গড়ার পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়ন করতে পারব।”
তিনি ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে কী করবে—তা সহজ ভাষায় সাধারণ মানুষের কাছে তুলে ধরতে হবে। দেশের উন্নয়ন পরিকল্পনাকে শুধু নথিতে সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।
তারেক রহমান আরও বলেন, আগামী দুই মাসের প্রধান কাজ হচ্ছে দেশের জনগণকে বিএনপির পরিকল্পনার সঙ্গে যুক্ত করা। “এর বাইরে আর কোনো কাজ নেই,” উল্লেখ করেন তিনি।
বিশেষ একজন ছাড়া সবাই খারাপ—এ ধরনের ধারণার সমালোচনা করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, গত ১৬ বছরে এমন একটি রাজনৈতিক সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে যা গণতন্ত্রের জন্য হুমকিস্বরূপ। তিনি বলেন, বহুদলীয় গণতন্ত্রে ভিন্নমত প্রকাশ স্বাভাবিক এবং এই সংস্কৃতি বজায় রাখা জরুরি।
তরুণদের উদ্দেশে তারেক রহমান বলেন, দেশের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে যুবসমাজের ঐক্য ও সক্রিয় ভূমিকার ওপর। “তোমরা যদি এগিয়ে আসো ও ঐক্যবদ্ধ হও, দেশ সামনে এগোবে; না হলে ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হতে পারে,” বলে তিনি সতর্ক করেন।
সভায় তিনি নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান—ঐক্যবদ্ধ থেকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করে দেশের অগ্রযাত্রায় ভূমিকা রাখতে।