গণভোটে ‘হ্যাঁ’ মানে জনগণের ক্ষমতা ফিরিয়ে দেওয়া: সিলেটে ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম

নিউজ রিপোর্ট: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম বলেছেন, আসন্ন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট মানে জনগণের ক্ষমতা জনগণের হাতে ফিরিয়ে দেওয়া, আর ‘না’ ভোট মানে বিচারিক হত্যাকাণ্ড ও দালালী রাজনীতিকে সমর্থন করা। তিনি দাবি করেন, ছাত্রসমাজ ও সাধারণ মানুষ ইতোমধ্যে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।

বৃহস্পতিবার সিলেট নগরীর চৌহাট্টা এলাকায় ‘ঐক্যবদ্ধ ছাত্রসংসদ’ আয়োজিত গণজমায়েতে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণার লক্ষ্যে ডাকসু, জাকসু, চাকসু, রাকসু ও জকসুর নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে সংগঠনটি সম্প্রতি আত্মপ্রকাশ করেছে।

সাদিক কায়েম বলেন, কৃষক, শ্রমিক ও নিম্নআয়ের মানুষের টাকায় রাষ্ট্র পরিচালিত হয়, তাই তাদের সন্তানদের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব গড়ে তোলাই ‘হ্যাঁ’-এর মূল লক্ষ্য। তিনি বলেন, বিগত শাসনামলে সংঘটিত গুম, খুন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিচার নিশ্চিত করা এবং পুরোনো কাঠামো ভেঙে নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠাই এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য।

তিনি অভিযোগ করেন, একটি রাজনৈতিক পক্ষ গণভোটে ‘না’-এর পক্ষে অবস্থান নিয়ে বিদেশি স্বার্থ রক্ষা ও আগের দমনমূলক রাজনীতি ফিরিয়ে আনতে চায়। বিএনপির সমালোচনা করে তিনি বলেন, দলটি তাদের প্রতিষ্ঠাতাদের আদর্শ থেকে সরে গেছে এবং তাদের উচিত অবস্থান পুনর্বিবেচনা করা।

সমাবেশে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (জকসু) ভিপি রিয়াজুল ইসলাম বলেন, আগামী নির্বাচনে যেন চাঁদাবাজ ও জালিমদের হাতে ক্ষমতা না যায়, সে জন্য ন্যায়বিচারের পক্ষে অবস্থান নিতে হবে।

গণজমায়েতে আরও উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের নেতারা। এছাড়া সিলেট-১ আসনের এক প্রার্থী এবং বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মীরাও অংশ নেন।

এদিকে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ চার রাস্তার সংযোগস্থল চৌহাট্টা পয়েন্টে সমাবেশ করায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ মানুষ। গুরুত্বপূর্ণ সড়ক সংযোগস্থলে এ ধরনের জমায়েত আয়োজন নিয়ে সমালোচনাও দেখা গেছে।