মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump আগামী বুধবার তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে চীন যাচ্ছেন। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সোমবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। ১৩ থেকে ১৫ মে পর্যন্ত এই সফরে তিনি চীনের প্রেসিডেন্ট Xi Jinping-এর সঙ্গে বৈঠক করবেন।
২০১৭ সালের পর এই প্রথম কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্ট চীন সফর করতে যাচ্ছেন। ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে ২০১৭ সালের নভেম্বরে তার সর্বশেষ চীন সফর হয়েছিল।
সফরে দুই নেতার আলোচনায় প্রধান গুরুত্ব পাবে ইরান যুদ্ধ, বাণিজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্র-চীন সম্পর্ক। ওয়াশিংটন আশা করছে, বেইজিং তার প্রভাব ব্যবহার করে ইরানকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে চাপ দেবে। চীন বর্তমানে ইরানি তেলের অন্যতম বড় ক্রেতা।
এর আগে চলতি বছরের মার্চের শেষ বা এপ্রিলের শুরুতে ট্রাম্পের চীন সফরের পরিকল্পনা ছিল। তবে ইরান যুদ্ধের কারণে সফরটি পিছিয়ে যায়।
ট্রাম্প অতীতে একাধিকবার শি জিনপিংয়ের সঙ্গে নিজের ব্যক্তিগত সম্পর্কের প্রশংসা করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের সম্পর্ক “অত্যন্ত ভালো” এবং উভয় দেশই তা বজায় রাখার গুরুত্ব বোঝে।
তবে ইতিবাচক মন্তব্যের পরও দুই দেশের মধ্যে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে মতবিরোধ রয়ে গেছে। এর মধ্যে রয়েছে বাণিজ্য শুল্ক, ইরানের সঙ্গে চীনের সম্পর্ক এবং তাইওয়ান প্রশ্ন। চীন তাইওয়ানকে নিজেদের ভূখণ্ডের অংশ বলে দাবি করে আসছে।
হোয়াইট হাউসের প্রিন্সিপাল ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি আনা কেলি এই সফরকে “প্রতীকীভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ” বলে উল্লেখ করেছেন। একই সঙ্গে তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প শুধু প্রতীকী সফরের জন্য ভ্রমণ করেন না, বরং যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি অর্জনের লক্ষ্যও থাকবে।
হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, সফরের সময় ট্রাম্পের জন্য বেইজিংয়ে আনুষ্ঠানিক অভ্যর্থনার আয়োজন করা হবে। এরপর শি জিনপিংয়ের সঙ্গে একান্ত বৈঠক এবং টেম্পল অব হেভেন পরিদর্শনের কর্মসূচি রয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে তিনি রাষ্ট্রীয় নৈশভোজে অংশ নেবেন এবং শুক্রবার দুই নেতার মধ্যে কর্ম-ভোজ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
