২৪ বছর পুরোনো একটি নিসান মাইক্রার গাড়ি কর না দেওয়ার মামলায় লন্ডনের মেয়র স্যার সাদিক খানকে তাঁর অনুপস্থিতিতে দোষী সাব্যস্ত করেছে আদালত। তাঁকে ২২০ পাউন্ড জরিমানা, ৮৫ পাউন্ড আদালত-খরচ এবং বকেয়া ৩৫ দশমিক ৮৪ পাউন্ড গাড়ি কর পরিশোধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
হিয়ারফোর্ডশায়ারের একটি ম্যাজিস্ট্রেট আদালত একক বিচারিক প্রক্রিয়ার আওতায় গত মাসে এ রায় দেয়। আদালতের নথি অনুযায়ী, ২০০২ সালে নিবন্ধিত নীল রঙের নিসান মাইক্রাটির গাড়ি কর গত বছরের সেপ্টেম্বরে শেষ হয়ে যায়। ২৪ জানুয়ারি গাড়িটিকে করবিহীন অবস্থায় শনাক্ত করে গাড়ি নিবন্ধন ও চালকের লাইসেন্স প্রদানকারী সংস্থা ডিভিএলএ।
সরকারি নথিতে গাড়িটির সঙ্গে সাদিক খানের নাম ও জন্মতারিখ যুক্ত ছিল। তবে মালিকানা নিশ্চিত করতে ডিভিএলএ যে চিঠি পাঠিয়েছিল, সেটি মেয়রের কার্যালয় বা লন্ডন পরিবহন কর্তৃপক্ষের দপ্তরে না গিয়ে পূর্ব লন্ডনে অবস্থিত গর্ডন রামসের একটি রেস্তোরাঁয় পৌঁছায়। চিঠির কোনো জবাব না পাওয়ার পর ১৮ আগস্ট মামলা করা হয়।
মেয়রের কার্যালয় বলেছে, গাড়িটি সাদিক খান বা লন্ডন পরিবহন কর্তৃপক্ষের মালিকানাধীন নয়। তাঁর নামে গাড়িটি নিবন্ধনের ঘটনাকে তারা প্রতারণা হিসেবে উল্লেখ করেছে। এক মুখপাত্রের দাবি, এর আগেও মেয়রের নামে গাড়ি নিবন্ধনের চেষ্টা হয়েছে।
মেয়রের উপদেষ্টা বিবিসি লন্ডনকে জানান, ডিভিএলএ মামলাটি পুনরায় খোলা এবং অভিযোগ প্রত্যাহারের বিষয়টি জরুরি ভিত্তিতে পর্যালোচনা করছে। গাড়িটি কীভাবে সাদিক খানের নামে নিবন্ধিত হলো, তা-ও তদন্ত করা হবে।
লন্ডনে অতিনিম্ন নির্গমন অঞ্চল বা ইউলেজ পুরো শহরে সম্প্রসারণের পর সাদিক খানকে লক্ষ্য করে তাঁর নামে গাড়ি নিবন্ধনের হুমকি দিয়েছিলেন কিছু মোটরচালক। তবে সেই ঘটনার সঙ্গে বর্তমান মামলার কোনো যোগসূত্র আছে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
সূত্র বিবিসি
