এসেক্সের সাউথএন্ডে ডাকসু ভিপি ও জুলাই আন্দোলনের সমন্বয়ক সাদিক কায়েমকে বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা

লন্ডন প্রতিনিধি: যুক্তরাজ্যের এসেক্সের সাউথএন্ড বাঙালি কমিউনিটির উদ্যোগে ডাকসুর ভিপি এবং জুলাই আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক সাদিক কায়েমকে এক জাঁকজমকপূর্ণ সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রবাসী বাংলাদেশিদের ব্যাপক উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়। কমিউনিটির বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি পরিণত হয় এক মিলনমেলায়।

এমসিএ MCA সাউথএন্ডের সভাপতি রেজাউল আজিজের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশিষ্ট কমিউনিটি নেতা ডক্টর আবুল কালাম আজাদ। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়। পরে অতিথিদের পরিচয় পর্ব ও শুভেচ্ছা বিনিময়ের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।


স্বাগত বক্তব্যে ইনকিলাব মঞ্চ ইউকের কনভেনর বেলাল হোসাইন বলেন, দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও জনগণের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে তরুণ নেতৃত্বের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি সাদিক কায়েমের নেতৃত্ব, সাহসিকতা ও গণমানুষের পক্ষে অবস্থান গ্রহণের প্রশংসা করেন এবং দেশের সংকটময় সময়ে তার অবদানের কথা তুলে ধরেন।

সভাপতির বক্তব্যে ডক্টর আবুল কালাম আজাদ বলেন, দেশের যেকোনো গণতান্ত্রিক আন্দোলনে তরুণদের অংশগ্রহণ জাতির জন্য আশাব্যঞ্জক। তিনি প্রবাসী বাংলাদেশিদের দেশের উন্নয়ন, গণতন্ত্র এবং মানবাধিকারের প্রশ্নে সচেতন ও সক্রিয় থাকার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডক্টর শামসুল করিম, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সিদ্দিক আহমেদ ও রফিক আহমেদ, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব মুজাহিদুল ইসলাম ও হাসান আল বান্না, এমসিএ সাউথএন্ড অ্যান্ড গ্রেইস ব্রাঞ্চের সভাপতি শামীম আহমেদ, কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব কবির আহমেদ, আলী আহমেদ এবং আবুল বাশার চৌধুরীসহ আরও অনেক বিশিষ্টজন। বক্তারা তাদের বক্তব্যে সাদিক কায়েমের নেতৃত্বগুণ, রাজনৈতিক সচেতনতা এবং তরুণ সমাজকে উদ্বুদ্ধ করার সক্ষমতার ভূয়সী প্রশংসা করেন।


বক্তারা বলেন, জুলাই আন্দোলন দেশের গণতান্ত্রিক চেতনাকে নতুনভাবে জাগ্রত করেছে এবং এ আন্দোলনে সাদিক কায়েমের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তারা আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতেও তিনি দেশ ও জনগণের স্বার্থে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করে যাবেন।

সংবর্ধনার জবাবে সাদিক কায়েম উপস্থিত প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, দেশের গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম এখনও চলমান। এ লক্ষ্যে দেশে-বিদেশে অবস্থানরত সকল বাংলাদেশিকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, প্রবাসীরা দেশের অর্থনীতি, সামাজিক উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন। দেশের যেকোনো সংকটে প্রবাসীদের সমর্থন ও সংহতি দেশের জনগণকে অনুপ্রাণিত করে।