রিপোর্ট: কে এম আবু তাহের চৌধুরী: প্রবাসী সিলেটবাসী অভিযোগ করেছেন, দীর্ঘদিন ধরে সিলেটের প্রতি বৈষম্য করা হচ্ছে। ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিদেশি ফ্লাইট বন্ধ রাখা, পরিবহন অবকাঠামোর সমস্যা এবং আর্থিক শোষণ—এসব সংকট নিয়ে জরুরি পদক্ষেপের দাবি তুলেছেন যুক্তরাজ্যে বসবাসরত সিলেটি প্রবাসীরা।
গত ৪ নভেম্বর, মঙ্গলবার যুক্তরাজ্যের লন্ডনে ‘ক্যাম্পেইন কমিটি ইউকে ফর ফুললি ফাংশনাল ওসমানী ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট’ এর উদ্যোগে এক জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সিলেটের প্রতি বৈষম্য বন্ধ, আধুনিক ট্রেন চালু এবং ওসমানী বিমানবন্দর থেকে অবিলম্বে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পুনরায় চালুর দাবি জানানো হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন আহ্বায়ক কে এম আবু তাহের চৌধুরী এবং সঞ্চালনা করেন সদস্য সচিব এম এ রব। এতে বক্তব্য রাখেন যুগ্ম আহ্বায়ক মাহবুবুর রহমান কোরেশী, হাজী মোহাম্মদ হাবিব, মাওলানা সৈয়দ নায়ীম আহমদ, এডভোকেট শফিক উদ্দিন আহমদ, সাংবাদিক খালেদ মাসুদ রনি, এবং অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
বক্তারা বলেন:
“২৩ বছর ধরে ওসমানী বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক ঘোষণা করা হলেও কোনো বিদেশি এয়ারলাইনকে ফ্লাইটের অনুমতি দেওয়া হয়নি। সিলেটবাসী ক্রমাগত বঞ্চনার শিকার। এখন আর পিছপা হওয়ার সুযোগ নেই — রেমিট্যান্স বন্ধ, বিমান বয়কট এবং দেশে অবরোধ-হরতালের মতো কঠোর কর্মসূচি দেশ-বিদেশে ঘোষণা করতে হবে।”
বক্তাদের অভিযোগ, আগামী ডিসেম্বর মাসে বিমানের লন্ডন-সিলেট রুটে রিটার্ন ভাড়া ১,২০০ থেকে ১,৫০০ পাউন্ডে উঠে গেছে, যা সিলেটি প্রবাসীদের অর্থনৈতিকভাবে শোষণের সামিল।
দেশে-বিদেশে আন্দোলনের প্রত্যয়
সভায় সিলেট, ঢাকা, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যসহ প্রবাসে চলমান আন্দোলনগুলোর সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করা হয়। বক্তারা জোর দিয়ে বলেন:
“সিলেটবাসীর প্রতি বৈষম্য ও বঞ্চনার বিরুদ্ধে আমাদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। সময় এসেছে কঠোর কর্মসূচি গ্রহণের।”
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন: হাফিজ হোসাইন আহমদ, আফসর মিয়া ছুটু, আলহাজ্ব নুর বক্স, মাওলানা মুহি মিকদাদ, হাজী ফারুক মিয়া, শাহ চেরাগ আলী, মাতিউর রহমান, এবং আরও অনেকে।