ম্যানচেস্টার–সিলেট ফ্লাইট ও ওসমানী বিমানবন্দর থেকে আন্তর্জাতিক রুট চালুর দাবিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য বিমান বয়কটের হুমকি

নিউজ রিপোর্ট: বাংলাদেশ বিমানের ম্যানচেস্টার–সিলেট ফ্লাইট চালু রাখা এবং সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে দ্রুত অন্যান্য আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালুর দাবিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য বিমান বয়কটের হুমকি দিয়েছেন যুক্তরাজ্যপ্রবাসী সিলেটবাসীরা। এ উপলক্ষে গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকের সাউথ ইস্ট রিজিওনাল কমিটির উদ্যোগে গত ১৮ জানুয়ারি রবিবার বিকাল ২টায় পূর্ব লন্ডনের হোয়াইটচ্যাপেল রোডস্থ আল হামরা রেস্টুরেন্টে এক প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সাউথ ইস্ট রিজিওনাল কমিটির আহ্বায়ক আলহাজ হারুনুর রশীদ এবং সভা পরিচালনা করেন যুগ্ম সদস্য সচিব আব্দুল বাছিত রফি। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের প্যাট্রন, কমিউনিটি নেতা ও বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ড. হাসনাত এম হোসেইন এমবিই। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সাংবাদিক ও কমিউনিটি নেতা কে এম আবু তাহের চৌধুরী, গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকের কেন্দ্রীয় কনভেনার সাংবাদিক মোহাম্মদ মকিস মনসুর, কো-কনভেনার মাসুদ আহমদ, সাবেক চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম মাহবুব এবং রাজনীতিবিদ মোহাম্মদ আজম আলী। সভায় আরও বক্তব্য রাখেন মুফতি সৈয়দ মাহমুদ আলী, কমিউনিটি নেতা আব্দুল মুকিত, সৈয়দ সায়েম করিম, ইউনিটি অব মৌলভীবাজারের সভাপতি আব্দুল মালিক, দৈনিক জালালাবাদ পত্রিকার ডিরেক্টর শাহ শেরওয়ান কামালী, আহমদ সাদিক, শাহ চেরাগ আলী, মোখতার আলী, হাজী বুলু মিয়া, গিয়াস উদ্দিন আহমদ, মাস্টার আশরাফ চৌধুরী, টিভি উপস্থাপক নুরুল ইসলাম, মিসেস হেলেনা ইসলাম, কবি আসমা মতিন ও আজম আলীসহ আরও অনেকে।


বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ বিমানের ম্যানচেস্টার–সিলেট রুটে হঠাৎ ফ্লাইট বন্ধ করা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক ও অন্যায়। এতে প্রায় তিন লক্ষ সিলেটি প্রবাসী চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। তারা অভিযোগ করেন, একটি সিলেটবিরোধী সিন্ডিকেট পরিকল্পিতভাবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে বিব্রত করতে এবং প্রবাসীদের স্বার্থ উপেক্ষা করে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করেছে। বক্তারা আরও বলেন, ওসমানী বিমানবন্দর আন্তর্জাতিক ঘোষিত হওয়ার ২৪ বছর পার হলেও এখান থেকে নিয়মিত কোনো বিদেশি ফ্লাইট চালু করা হয়নি। ফলে লন্ডন–সিলেট রুটে যাত্রীদের কাছ থেকে এক হাজার থেকে দেড় হাজার পাউন্ড পর্যন্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে। এতে বহু পরিবার দেশে যেতে পারছে না এবং নতুন প্রজন্মের মধ্যে দেশবিমুখতা বাড়ছে।

সভায় বক্তারা কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা দিয়ে বলেন, আর নরম পন্থায় দাবি আদায় সম্ভব নয়। প্রয়োজনে অনির্দিষ্টকালের জন্য রেমিট্যান্স ও বাংলাদেশ বিমান বয়কট করা হবে। প্রবাসীদের ন্যায্য অধিকার আদায়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।